স্টাফ রিপোর্টার,
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ভূমি সেবার মান কে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে ভূমি সেবা সপ্তাহ, ঘরে বসে জমির খতিয়ান ও ম্যাপ সংগ্রহ ও ভূমিকর পরিশোধের উপায় কার্যক্রম উদ্ভোধন করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে এখন ঘরে বসেই ‘১৬১২২’ নম্বরে ফোন করে চার মিনিটেই খতিয়ান কিংবা মৌজা ম্যাপের আবেদন করা যাবে। ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে মুহূর্তে দেওয়া যাবে ফি। একই সঙ্গে ঘরে বসে পরিশোধ করা যাবে ভূমি উন্নয়ন কর।
বৃহস্পতিবার (১৯মে ) তারাকান্দা উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে সহকারী কমিশনার ভূমি জিন্নাত শহীদ পিংকি এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই পদ্ধতির উদ্ভোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।
এসময় তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত জানান, বাসায় বসে মোবাইল অ্যাপ কিংবা ওয়েব প্ল্যাটফর্মে দৈনন্দিন ব্যবহার্য দ্রব্যাদি, বই কিংবা খাবারের অর্ডার দেওয়া থেকেও এখন সহজ জমির খতিয়ান (পর্চা) কিংবা ম্যাপ পাওয়া যাবে, খতিয়ান কিংবা ম্যাপ পেতে মোবাইল অ্যাপ কিংবা ওয়েব প্ল্যাটফর্মে ঢুকেও আবেদন করতে হবে না। তাই ডিজিটাল ভূমি সার্ভিস গ্রহণে স্মার্ট ফোন থাকার বাধ্যবাধকতাও আর থাকবে না।
ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস যেমন নগদ, রকেট, বিকাশ, উপায় এবং যেকোনো ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ফি দেওয়া যাবে। ‘১৬১২২’ নম্বরে ফোন করা ছাড়াও জমির মালিক নিজেই ভূমিসেবা ওয়েব প্ল্যাটফর্মে গিয়ে মোবাইলের ভূমিসেবা অ্যাপ দিয়ে কিংবা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের (ইউডিসি) সহায়তায় আবেদন করা যাবে।
ঘরে বসে জমির খতিয়ান-ম্যাপ পাওয়া ও ভূমিকর পরিশোধ বিষয়ে তিনি জানান-ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার জন্য ১৬১২২ নম্বরে কল করে এনআইডিসহ জমির তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের তথ্য পাওয়ার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস অনুমোদন দিলে হোল্ডিং এন্ট্রি শেষ হবে। হোল্ডিং নম্বরের তথ্য আবেদনকারীকে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো হবে। এরপর নাগরিককে ফের ১৬১২২ নম্বরে কল করে হোল্ডিংয়ের তথ্য দিতে হবে।
কল সেন্টার থেকে নাগরিকের মোবাইলে টোকেন নম্বরের এসএমএস আসবে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পে-বিলের মাধ্যমে টোকেন নম্বর দিয়ে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভূমি মালিক তার জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে পারবেন। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডিজিটাল দাখিলা নাগরিকের অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।এছাড়া, নাগরিকদের এখন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সরকারি কোষাগারে ফি জমা দেওয়ার এবং ভূমি অফিসে না গিয়ে অনলাইনে ডুপ্লিকেট কার্বন রসিদ (ডিসিআর) সংগ্রহ করার সুযোগ হয়েছে। এতে মানুষের অর্থ-খরচ ও ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে বলেও জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার। এসময় উপজেলার বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তি বর্গ ও সেবাগ্রহীতারা উপস্থিত ছিলেন।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে