ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার দূর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় ইউনিয়ন ব্যাপী গণসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পুর্বধলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য তরুণ জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ হুমায়ুন কবীর(খোকন মন্ডল)। তিনি ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সাথে অতোপ্রত ভাবে জড়িত। ছোটবেলা থেকে তার পরিবার এবং তিনি বঙ্গবন্ধু আদর্শ ও নীতি নৈতিকতা হৃদয়ে ধারণ করেই বেড়ে উঠেছেন। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনেও একজন লড়াকু সৈনিক হিসেবে কাজ করেছেন খোকন মন্ডল।
সবাইকে সাথে নিয়ে সুন্দর, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও শান্তিপুর্ণ গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে ইতোমধ্যে তিনি ভোটারদের সাথে অনানুষ্ঠানিক ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করাসহ গণসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সকলের কাছে দোয়া কামনা করছেন। নির্বাচনের বিষয়ে তরুণ রাজনীতিবিদ হুমায়ুন কবির খোকন মন্ডল এর সাথে কথা বললে তিনি এই প্রতিনিধি কে জানান ‘আমি সবার সুখে-দুঃখে সর্বদা পাশে থাকতে চাই। গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে কাজ করে আমি আল্লাহর নৈকট্য হাসিল করতে চাই। ইউনিয়ন এর মানুষের পাশে থেকে সবাইকে সাথে নিয়ে আমি আমার সাধ্যমত অত্র অঞ্চলকে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে আজীবন পরিশ্রম করে যেতে চাই। ইউনিয়ন থেকে কোন অর্থ, প্রভাব, প্রতিপত্তি বা কোন ফায়েদা নেবার জন্য নয় বরং সকলের সেবার মানসিকতা নিয়েই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইছি। আমি আশাবাদী মহান আল্লাহ সহায় থাকলে জনগণ আমার পাশে থাকবে। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সকল জটিল ও কঠিন সমস্যার সমাধান দেয়া হবে’।
তিনি আরও জানান, ‘মাদক নির্মূলে ও ইভটিজিং-বাল্যবিবাহ বন্ধ সহ আলোকিত সমাজ গড়তে কাজ করে যেতে চাই। তার পাশাপাশি এলাকার যে কোন সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের মাধ্যমে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। ভোট একটি নাগরিকের মূল্যবান অধিকার ও ভোট প্রয়োগ একটি ঈমানী দায়িত্ব। সামান্য অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সুতরাং আসুন সবাই একসাথে কাজ করি ও আপনাদের সাথে নিয়ে একটি বাসযোগ্য ও শৃঙ্খল ইউনিয়ন হিসেবে অত্র ইউনিয়নকে গড়ে তুলতে চাই।
মনোনয়নের বিষয়ে আপনি কতটা আশাবাদী জানতে চাইলে তিনি বলেন-আমার পিতা আব্দুস ছাত্তার মন্ডল আওয়ামীলীগ তৃণমূলে প্রতিষ্ঠাকালীন ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক,পর্যাক্রমে ইউনিয়নের সভাপতি,দূর্গাপুর থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,ও থানা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন।আমার চাচা চাঁন মিয়া মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন।যাঁর নাম বিরিশিরি শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে লিপি আছে।আমার বড় ভাই শাহজাহান মন্ডল,বর্তমান ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপর বড় ভাই সারোয়ার জাহান রুমান মন্ডল ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং আমি নিজেও ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ কে বুকে ধারণ করে আওয়ামী রাজনীতিতে জড়িত হওয়ার পর থেকে পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য ছিলাম। আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে বিএনপির রাজনৈতিক যাতাকলে পরে ছাত্রত্ব হারিয়ে জেলজুলুম উপভোগ করে বর্তমানে দীর্ঘ দিন ধরেই ময়মনসিংহে অবস্থান করছি। এখানেও আমি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৩২নং ওয়ার্ড কৃষকলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ও বঙ্গবন্ধু দুঃস্হ ও প্রতিবন্ধ উন্নয়ন পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বে আছি। দীর্ঘদিন যাবৎ অটিজম নিয়ে ময়মনসিংহ অঞ্চলে কাজ করছি। আমি আশা করি আমার পারিবারিক দলীয় পরিচিতি ও আমার নিজের রাজনৈতিক জীবন বৃত্তান্তকে আমলে নিয়ে আমার নেত্রী ও দল আমাকে মুল্যায়ন করবেন এবং আমাকে দলীয় মনোনয়ন অবশ্যই দিবেন।
হুমায়ুন কবির (খোকন মন্ডল) বিগত ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনেও গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। পরে তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও দলীয় সিদ্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা করেন। শহীদ পরিবারের সন্তান হিসাবে মনোমনয় পাবে বলে আশাবাদী খোকন মন্ডল।।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে