স্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ জেলার শিল্প এলাকা হিসাবে ভালুকা উপজেলা। স্কয়ারসহ বিভিন্ন নামীধামী শিল্প কারখানার অবস্থান এই উপজেলায়। নতুন-নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য জায়গা জমি ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এই উপজেলায় জমি নিয়ে দুপক্ষের দ্বন্দ্ব হামলা-মামলা নিত্যদিনের ঘটনা। কার জায়গা কে দখলে নিতে পারবে এমন প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত অনেকেই। সব মিলিয়ে অন্যান্য ভূমি অফিসের তুলনায় ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের আওতাধীন জনগণের মাঝে জমির দখল বাণিজ্য নিয়ে সমস্যা অনেকটা তুলনামূলক বেশী। যাতে করে ভূমি সেবা দিতে ভূমি অফিসকে হিমশিম খেতে হয়। তবে দীর্ঘ সময়ের পরে ভূমি অফিসের সেবার মান বদলেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার কারণে ভোগান্তির অবসান ঘটেছে ভূমি সেবা আগ্রহী দের। অনলাইন সেবার কারণে দালালদের খপ্পরে পড়তে হয় না। ভূমি ব্যবস্থাপনা কে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে কাজ করছেন সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম।
জমি নিয়ে দুপক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তিতে একজন দক্ষ সার্ভেয়ার হিসাবে তার রয়েছে প্রযুক্তিগত জ্ঞান, বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা, এবং ভূমি জরিপের আইনি বিষয় সম্পর্কে গভীর ধারণা । এছাড়াও,তিনি সৎ, পরিশ্রমী, এবং ধৈর্যশীল হওয়ায় তিনি সঠিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করাসহ প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম পরিচালনা করা এবং জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করে জনগণকে সঠিক ভূমি সেবা দেওয়ায় তিনি ভালুকার মানুষের কাছে একজন দক্ষ ও জনবান্ধব সার্ভেয়ার হিসাবেও পরিচিতি এবং সনাম অর্জন করেছেন। কমছে জমি নিয়ে দুপক্ষের ঝামেলা, মামলার ঝট।
,সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম একজন কর্মপাগল, জনবান্ধব ব্যক্তি।যিনি মানুষকে হয়রানীমুক্ত ভূমি সেবা নিশ্চিত করতে দিনরাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি গ্রাহকের সুবিধার্থে ছুটির দিনেও অফিসে বসে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত আছেন। ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে সার্ভেয়ার হিসেবে সাইদুল ইসলাম দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে তিনি এসিল্যান্ডের নির্দেশনা মোতাবেক ভূমি সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ, নামজারি, খারিজ খতিয়ান, বিবিধ মামলাসহ যে কোনো ক্ষেত্রে তদন্ত প্রতিবেদনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে কাজ করায় সাধারণ মানুষ ভূমি সংক্রান্ত সেবায় হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত কম হচ্ছেন। তার সেবায় সন্তুষ্ট ভালুকার ভূমি মালিকরা।
এ ব্যাপারে সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম বলেন, চাকরী জীবনের শুরু থেকেই আমি সততা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। মানুষের ভালোবাসায় কাজের আরো গতি বাড়াবে। বিশেষ করে আমার স্যার সহকারী কমিশনার ভূমি মহোদয়ের পরামর্শে আমার কাজের কাজের গতিশীলতা বাড়াতে পেরেছি। সে জন্য তিনি সহকারী কমিশনার ভূমি এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে আরো জানান, শ্রদ্ধেয় ইউএনও স্যার ও এসিল্যান্ড স্যারের দিকনির্দেশনা মোতাবেক কাজ করায় ভূমি সেবা নিতে আসা গ্রহীতাদের আগের মতো বিলম্বনায় পড়তে হয় না। অনলাইন সেবার কারণে আবেদন থেকে শুরু করে অনলাইনে নামজারি জমা ভাগ ও ডিসিআর এর টাকা জমা প্রদান করা যায়। ঘরে বসেই ভূমি সেবা এখন হাতের মুঠোয়। অনলাইনে আবেদন করার পরে সেবা গ্রহীতা নিজেই জানতে পারবে তার নথি কোন দপ্তরে রয়েছে। অফিসের সামনে এখন আর আগের মত দীর্ঘ লাইন নেই। নেই দালালদের ঘোরাঘুরি। নামজারি, জমা ভাগ, সীমানা নির্ধারণের প্রতিবেদন, ভূমি বন্দোবস্ত প্রতিবেদন , দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রেরণ করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, অনলাইন ভূমি ব্যবস্থাপনা আইন ও সহকারী কমিশনার ভূমি (ভালুকা)এর নির্দেশনায় ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসকে নতুন রূপে সাজানোই আমাদের লক্ষ্য।
কয়েকজন গ্রহীতা বলেন, আগের মত ঘুরতে হয়নি,দ্রুত সেবা পেয়েছি। ঘরে বসেই নামজারি জমা ভাগ ওডিসিআর এর টাকা জমা প্রদান করি। নেই জমি পরিমাপের কোন জটিলতা। অনলাইনে আবেদন করার সাথে সাথে আবেদনটি কোন অবস্থায় আছে এবং কোন দপ্তরে আছে তার স্মারক নম্বর সহ মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের সেবায় আমরা এখন আগের চেয়ে সন্তুষ্ট। যে কোন সমস্যায় অফিসে সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলামের সাথে দেখা করলে তিনি তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়ায় আমাদের কে আর হয়রানির শিকার হতে হয়না। তারা সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলামের সেবার প্রশংসা করে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এর আগেও তিনি তার চাকরী জীবনে ময়মনসিংহের ত্রিশাল শেরপুরের ঝিনাইগাতি সহ বিভিন্ন উপজেলা ভূমি অফিসে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে