মো আরিফ রববানী ময়মনসিংহ ।।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও বিশ্বসেরা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৪২তম ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ব্যাপক ঝাক-জমক উৎসাহ উদ্দীপনা মুখর পরিবেশে উদযাপন করেছে নয়ন ও মাকসুদ নেতৃত্বাধীন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নব গঠিত কমিটির নেতাকর্মীরা।
দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বিকালে জাতির জনকের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল নয়নের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাকসুদ খান এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।
এসময় সভাপতির শুভেচ্ছা বক্তব্যে নবগঠিত উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও উপজেলার সাবেক ছাত্রনেতা ইব্রাহিম খলিল নয়ন বলেন-জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে অনেক ঘাত প্রতিঘাত উপেক্ষা করে নির্বাসন শেষে তিনি বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন। এদিন বিকাল সাড়ে চারটায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং বিমানে তিনি ভারতে রাজধানী দিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমান বন্দরে এসে পৌছান।
ইব্রাহিম খলিল নয়ন বলেন-বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসেছেন বলেই দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে। মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ থেকে মুক্ত হয়েছে দেশ। দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলংকা হবে না, কারণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি সাবলম্বী হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু মানুষের মুখের হাসি ফোটানোর যে স্বপ্ন দেখিছিলেন, সেই কাজটি বাস্তবায়ন করেছেন তাঁরই সুযোগ্যকন্যা শেখ হাসিনা। এসময় অন্যান্যদের মাঝে ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস আহমেদ,স্বপন মিয়া,শফিকুল ইসলাম শরীফ,জহিরুল ইসলাম জহির শেখসহ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরারা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল নয়ন বলেন-জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট দেশী-বিদেশী ঘাতকচক্র নির্মমভাবে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় সুভাগ্যক্রমে বেচে যান। ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতে তাকে আওয়ামীলীগের সম্মেলনে সভাপতি করা হয়। বিমান বন্দরে সংবর্ধনার জবাবে শেখ হাসিনা ঐ দিন বলেছিলেন, বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তির সংগ্রামে অংশ নেয়ার জন্য আমি দেশে এসেছি। আমি আওয়ামীলীগের সভাপতি হওয়ার জন্য আসিনি। আপনাদের বোন হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামীলীগের কর্মী হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। তাই যে নেত্রী নিজের জীবনের কথা না ভেবে, বাংলার দুঃখী মানুষের কল্যাণে দেশে ফিরে এসে বাংলাদেশ কে বিশ্বের বুকে সম্মানিত করেছেন, আমরাও আমাদের জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে পাশে থাকবো। এর আগে প্রিয় নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আনন্দে বিশাল র্যালী অনুষ্ঠিত হয়।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে