স্টাফ রিপোর্টার,
সম্প্রতি ডেসটিনির এমডি মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ১১ জন সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করে কর্পোরেট সংবাদ পত্রিকায় তথ্য প্রচার করে তা সাধারণ গ্রাহকরা মনে করে নতুন করে কোন ষড়যন্ত্রের পূর্বাভাস । অনেকের মতে যা ছিল কাল্পনিক, অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং সুদুরপ্রসারী ষড়যন্ত্র।
প্রতিবাদলিপিতে তারা আরো বলেন, মিজানুর রহমান (এফসিএস) ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেড থেকে বিভিন্ন অপকর্মের দায়ে বহিস্কৃত। এমনকি ডেসটিনির হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ, গাড়ি, সিনেমা হল, ফ্ল্যাট,এপার্টমেন্ট ইত্যাদি সবকিছুই তার নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে সে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
দীর্ঘদিন যাবত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এবং তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা রিপোর্ট সহ বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। কারণ ডেসটিনিতে উল্লেখিত প্রতিবাদকারী সহ তাদের আত্মীয়-স্বজন এবং বহু মানুষের কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে।
সেই কারণেই ডেসটিনির সম্পদ দেখভাল করার দায়িত্ব তাদেরও আছে। আর এই কারণে প্রশাসনসহ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্থানে ডেসটিনি মুক্তির জন্য অহিংস আন্দোলন, মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন সহ বিভিন্ন শান্তপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে আসছেন তারা।
অন্যদিকে সাংবাদিকদের এইসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বহু আগে থেকে তাদের উপর ক্ষুব্ধ আছেন বহিস্কৃত সেক্রেটারি মিজানুর রহমান। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ভুক্তভোগী ১১ সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে হয়রানি সহ মামলার ভয় দেখিয়ে আসছেন। একইভাবে ঐ মিজানুর রহমান ডেসটিনি মাল্টিপারপাস ও ট্রি প্লান্টেশন এর মামলার বিদেশে পলাতক আসামিদের কে নিয়ে গোপনে জুম মিটিং পরিচালনা করে আসছে।
বিষয়টি জানার পর ভোক্তভোগী সাংবাদিকরা মিজানুর রহমানের জুম মিটিংয়ে যুক্ত হন এবং তারা প্রতিবাদ জানান। আর এই কারণেই মিটিং থেকে তাদের অনেকেই বের করে দেয়। ওই মিটিংয়ের বিভিন্ন ভিডিও তথ্যবহুল প্রমাণ সাংবাদিকদের কাছে আছে বলে প্রতিবাদলিপিতে দাবি করেন। এবং বলেন ঐসব মিটিংএর ভিডিও ইতোপূর্বে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে। ফলে মিজানুর রহমান তাদের উপর প্রচন্ড ক্ষুব্দ আছেন। যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে সম্প্রতি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের মধ্য দিয়ে।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে