আরিফ রববানী,ময়মনসিংহ।।
সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন ময়মনসিংহে কঠোরভাবে পালিত হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় লকডাউন এর প্রথম দিন থেকেই কঠোর ভাবে মাঠে কাজ করছে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন। প্রশাসনের কঠোরতায় বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে পারছেনা কেউ। জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন অভিযানে ফাঁকা ময়মনসিংহ জেলা। বিনা প্রয়োজনে আর মাস্ক বিহীন পেলেই জরিমানা ও সচেতন করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর ধারাবাহিকতায় লকডাউন এর ষষ্ঠ দিনেও
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দোকানপাট বন্ধ ছিল।
সরকার কর্তৃক ঘোষিত “লক ডাউন” কার্যক্রম যথাযথ ভাবে বাস্তবায়নসহ করোনাভাইরাস এর বিস্তার রোধকল্পে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি এবং বাজার মনিটরিংসহ রমযানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে ১৯শে এপ্রিল সোমবার দিনভর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা প্রধান নগরী ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এলাকাসহ বিভিন্ন উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড),জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গণের এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।অভিযানে কোভিড প্রতিরোধে সিটি করপোরেশন ও উপজেলাসমূহে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৬৩ টি মামলায় ৩৩,০৯০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় ।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে বাজারে আগত লোকদের মাস্ক ব্যবহারে উৎসাহিতকরণ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা, জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়া, মাস্ক ব্যতীত কেউ যাতে কোন প্রকার সেবা না পায় সেটি নিশ্চিত করা এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি না করার জন্য বিভিন্ন দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ।
এ সময় সরকারি নির্দেশনা লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৬৩ মামলায় ৩৩,০৯০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ, আনসার বিজিবি সদস্যবৃন্দ,সাংবাদিকবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
অপরদিকে কঠোর লকডাউন কার্যকর করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় চলছে নিয়মিত তাদের অভিযান। গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় চেক পোস্টের মাধ্যমে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের পরিচয় এবং রাস্তার বের হবার কারণ জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। যেসব পেশার মানুষ জরুরি সেবার সাথে সম্পৃক্ত তাদের অতিক্রম করার অনুমতি দিয়ে অন্যদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে বাড়ির দিকে। এসব অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গণ।
জেলা প্রশাসক এনামুল হক এর নির্দেশনায়-অভিযানের পাশাপাশি মাইকিং করে জনগণকে ঘরে অবস্থান করে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করছেন বিভিন্ন উপজেলার ইউএনও, এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গণ । ম্যাজিষ্ট্রেটদের সরব উপস্থিতি ও টহল জোরদার করায় অপ্রয়োজনে মানুষের বাইরে চলাফেরা কমেছে। এরপরও কেউ ঘর থেকে বাইরে গেলে তাদের নানাভাবে ফেরত পাঠাতে চেষ্টা করছেন ম্যাজিস্ট্রেটগণ।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে