আরিফ রববানী,(ময়মনসিংহ)
ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডাঃ মুশফিকুর রহমান শুভ বালিকা উচ্চবিদ্যালয় সিটি করপোরেশন কর্তৃক উচ্ছেদের প্রতিবাদে ও পুনরায় স্কলটি চালুর দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ময়মনসিংহ সদরের ১১ নং ঘাগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সর্বস্থরের শিক্ষাপ্রেমী জনতা।
২ রা ডিসেম্বর বুধবার সকালে চুরখাই ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাচ রাস্তা মোড়ে ঘন্টাব্যাপী উক্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা অতি দ্রুত স্কুলটি পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন-স্কুলটির পাশে একাধিক নামে বেনামে প্রতিষ্ঠান রয়েছে তা রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসাবেই নিয়েছে ময়মনসিংহবাসী। সিটি মেয়রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি এমন বিরূপ আচরনে আওয়ামী লীগসহ সাধারণ জনগণ হতাশ বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক কাজল, ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের
শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এনায়েত সরকার জনি, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফয়জুর রহমান মারুফ, কোতোয়ালী আওয়ামী লীগ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি হামিদুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ আহবায়ক সুজন ফকির, যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল হাসান, যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম সোহান প্রমুখ। এতে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন, সর্বস্থরের জনগণ।
উল্লেখ্য আকুয়া ফুলবাড়িয়া রোডের পাশে পরিত্যক্ত স্থানে গড়ে উঠে ডাঃ মুশফিকুর রহমান শুভ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়টি গত ৯ নভেম্বর বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়। সে থেকেই মহানগর আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ সাধারণ জনগণ শিক্ষক শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করছে। স্কুলটি পুনরায় চালুর দাবিতে ঐক্যমত পোষণ করেছে ময়মনসিংহ সচেতন নাগরীক ও বিভিন্ন শ্রেনীপেশার নাগরিকরাও বিভিন্ন ভাবে প্রতিবাদ জানানোসহ পুণঃ চালুর দাবীতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
বিদ্যালয়টি চালু না হলে অধ্যয়নরত প্রথম শ্রেনী থেকে নবম শ্রেনীর পর্যন্ত ২৬০ জন নারী শিক্ষার্থীর মাঝে অধিকাংশ গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানা গেছে। কারণ এ স্কুলটিতে প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী নিন্ম আয়ের পরিবারের। এখানে তারা বিনা বেতনে পড়ালেখা করতো।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে