Breaking News
Home / Uncategorized / দুল্লা ইউনিয়নে জনপ্রিয়তা থাকলেও গরীব বলে মনোনয়ন নিয়ে আতঙ্কে আ’লীগ নেতা মালেক।।

দুল্লা ইউনিয়নে জনপ্রিয়তা থাকলেও গরীব বলে মনোনয়ন নিয়ে আতঙ্কে আ’লীগ নেতা মালেক।।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে রাজপথ কাপানো কারা নির্যাতিত ও মেধাবী একজন রাজনীতিবিদ মোঃ আব্দুল মালেক। যার বাড়ী ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার ১নং দুল্লা ইউনিয়নে। যিনি দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়ন কে একটি মাদকমুক্ত,উন্নত সমৃদ্ধ আদর্শ ইউনিয়ন হিসাবে গড়তে চান। তার স্বপ্ন দুল্লা ইউনিয়নবাসীর উন্নত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা। সেই লক্ষে তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় দলের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের কাছে গিয়ে লবিং তদবির করছেন। দলের দুর্দিনে ২০০৩ সাল থেকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন বিপদে-আপদে পাশে থাকায় বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও নিজের আর্থিক অবস্থা না থাকায় জনপ্রিয়তা থাকার পরও মনোনয়ন নিয়ে সংশয়ে আছেন আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে রাজপথের ত্যাগী ও সাহসী যোদ্ধা, কারা নির্যাতিত এই নেতা। তার দাবী যত জনপ্রিয়তাই থাকুক না কেন,মনোনয়ন পেতে অর্থ লাগবেই। একজন গরীব অস্বচল প্রার্থী বিধায় অর্থের খেলায় হেরে গিয়ে অবশেষে দলের মনোনয়ন না পাওয়ার আতঙ্কে তিনি অনেকটাই থমকে আছেন।তার প্রশ্ন গরীবরা দলের মনোনয়ন পাবে কি?

আব্দুল মালেক রাজনৈতিক জীবনে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে মরহুম ফজলুল হক দুদুর নেতৃত্বে আন্দোলন করতে গিয়ে ৪ঠা ডিসেম্বর গ্রেফতার হন। ঐ দিনই থানা থেকে মুক্তি পান।পরবর্তীতে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে সৈরাচার মুক্ত দেশ গঠন হয়।তিনি ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর১৯৯৩,৯৪,৯৫ সালে বার বার কারা নির্যাতিত হন, শুধু তাই নয় ২০০১ সালে বি এন পি জামাত জোট সরকার আমলেও তিনি আরও দুই বার কারা নির্যাতিত হন। ২০০৩ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দুঃসময়ে বিএনপি-জামাত জোটের অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করেন এই নেতা।শুধু এসব নির্যাতনই নয় গত ১/১১ তে যখন জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হন,সে-সময়েও নেত্রীর মুক্তির দাবীতে রাজপথে আন্দোলনে নেমেও গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ ১১মাস কারাভোগ করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মালেক।

তিনি ছাত্র জীবন থেকেই বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে নেতৃত্ব দিয়ে সমাজ সেবায় ভূমিকা রেখে উপজেলা সমবায় দপ্তর কর্তৃক শ্রেষ্ঠ সমবায়ী ও সরকারের একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের সভাপতি হিসাবে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ সভাপতি হিসাবেও শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছেন। একাধারে একজন সমাজ পতি, রাজনীতিবিদ,সালিশ ব্যাক্তিত্ব এবং ক্রীড়া সংগঠক ও বটে। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্বে থেকে রাজনীতির পাশাপাশি মানুষের বিভিন্ন সুখে দুঃখে পাশে থেকে নিজেকে একজন জনবান্ধব নেতা হিসাবে গড়ে তুলেছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে ধারাবাহিক মতবিনিময়, লিয়াজো -যোগাযোগ রেখে মানুষের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করে যাচ্ছেন। ইউনিয়নের যে কোন মানুষ তাদের যে কোন সমস্যায় নেতা মালেক কে কাছে পান বিধায় আসন্ন নির্বাচনে তিনি গরীবের প্রার্থী হিসাবেও আলোচনায় রয়েছেন।

তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল, মসজিদ,মাদ্রাসা ও মন্দিরের বিভিন্ন উন্নয়ন মোলক কাজে স্থানীয় সাংসদ কে এম খালিদের মাধ্যমে সহযোগিতা করাসহ হতদরিদ্র মানুষের সেবা করে যাওয়ার মাধ্যমে বর্তমান সরকারের সাংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কে এম খালিদ ও মুক্তাগাছা পৌর মেয়র আলহাজ্ব বিল্লাল হোসেন সরকারের পরামর্শ ও নির্দেশনাক্রমে আওয়ামীলীগের ভাবমুর্তিকে উজ্জল করার চেষ্টা করছেন । সমাজ সেবায় তিনি ছাত্রজীবন থেকেই নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত হওয়ার পর থেকে প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে প্রসারিত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন সফল এ নেতা। ফলে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে রয়েছেন তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা। দুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনের আমেজ শুরু হওয়ার পর থেকে ইতি মধ্যেই তার পক্ষে শুরু হয়েছে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচনী উঠান বৈঠক প্রচার-প্রচারনা,মতবিনিময় সভা ও গণসংযোগ। জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন দূরদর্শী কর্মী, শীর্ষ অন্যান্য নের্তৃত্বের অন্যতম নেতা আব্দুল মালেক।

ইউনিয়নবাসীর মতে- মালেক একজন নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিক,জন-দরদী, দরিদ্র অসহায় মানুষের বন্ধু, নি:স্বার্থ সমাজ সেবক, সহজ-সরল ও সাদা মনের মানুষ, ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে জনপ্রিয় সফল রাজনীতিবিধ। গত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তাগাছার বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কে এম খালিদ বাবু প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি লবিং তদবির করে এম পি কে এম খালিদের মাধ্যমে ইউনিয়নের ৮কিলো পাকা রাস্তা নির্মাণ করেন এবং সরকারের চলমান সময়ে দলের সাবেক সফল সাধারন সম্পাদক হিসাবে সাংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কে এম খালিদ এর মাধ্যমে ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সমস্যা নিরসন করেন। এছাড়াও চলমান করোনা মহামারীতে মানুষ যখন ঘরবন্দী হয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছিলো ঠিক সেই সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সহস্রাধিক মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তাসহ স্বাস্থ্যসেবায় গণসচেতনতা নিশ্চিত করণে মাস্ক বিতরণ করেছেন জনবান্ধব এই নেতা । তিনি বলেন- আমি গরীব মানুষ, আমার কোন টাকা-পয়সা নাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দল যদি আমাকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দান করেন, তাহলে আমি ভোটাদের ভালবাসায় ও আমার সাংগঠনিক কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দুল্লা ইউনিয়নটি দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিবো,সেই সাথে নিরলস দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নিষ্ঠার সাথে দল, এলাকা ও দেশের জন্য কাজ করব। নির্বাচনে জয়ী হয়ে জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন গঠাবো

About Mizanur Rahman

Check Also

দালাল মুক্ত ভূমি অফিস করতে কাজ করছেন ভূমি কর্মকর্তা লুৎফর রহমান

স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিস দালাল মুক্ত বললেন ভূমি কর্মকর্তা। সম্প্রতি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!