ময়মনসিংহ প্রতিনিধি=
ময়মনসিংহে ভালুকা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নিরীহ পরিবারের উপর প্রভাবশালীদের হামলায় ০৩ জন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিরীহদের বাড়ীভিটার সম্পদ জোর পুর্বক ক্রয়ের চাপ প্রয়োগ করে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে জোরপূর্বক দখলে নিতে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে রয়েছে। গত ২৩শে নভেম্বর দুপুর প্রায় ১,৩০ঘটিকায় উপজেলার বরাইদ গ্রামের নিরীহ মৃত আবুল কাশেমের পরিবাবারের উপর স্থানীয় প্রভাবশালী আক্তার হোসেন নেতৃত্বে ও উপস্থিতে তার নির্দেশে ২০-২৫জনের একটি প্রভাবশালী জবর দখলকারী চক্র এই হামলা চালায় বলে জানা গেছে। উক্ত হামলায় মৃত আবুল কাশেমের ছেলে কায়েস মাহমুদ,মেয়ে পারভিন আক্তার ও স্ত্রী সালমা বেগম গুরুতর আহত হলে তাদের কে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেকে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে পাঠায়।
এ ব্যাপারে মৃত কাশেমের মেয়ের জামাতা বরাইদ এলাকার মৃত ইশান আলীর পুত্র বাবুল হোসেন অভিযুক্ত আক্তার সহ অজ্ঞাত আরো ২০-২৫,জনকে আসামী করে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন-
একই এলাকার হাসেন আলী সরকারের পুত্র আক্তার হোসেন,কবির হোসেন,আলা উদ্দিনের পুত্র কামরুল ইসলাম মেম্বার, কাদির মন্ডলের পুত্র সোহেল মন্ডল,মান্নান মাস্টার এর পুত্র আশরাফুল ইসলাম, আতাব উদ্দিন পুত্র রাজু মিয়া, খলিল আকন্দ এর পুত্র আব্দুর রাজ্জাক, নুরুল ইসলাম আকন্দ এর পুত্র হেলাল উদ্দীন, আব্দুল হামিদের পুত্র সাইদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলীর পুত্র ফয়জল, আলতাব আলীর পুত্র হযরত আলী, হাসেন আলী সরকারের পুত্র ছফির উদ্দিনসহ অজ্ঞাত আরো ২০-২৫ জন।
মামলার লিখিত অভিযোগে জানাযায়, উপজেলার বরাইদ এলাকার মৃত আবুল কাশেমের পুত্র কায়েস মাহমুদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি-জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল একই এলাকার হাসেন আলী সরকারের পুত্র আক্তার হোসেন ও তার দলদের সাথে।
মামলায় অভিযোগে জানা গেছে অভিযুক্তরা আবুল কাশেমের রেখে যাওয়া বসতভিটা মাটির সম্পদ বিভিন্ন কৌশলে জোর জবর দখল নেওয়ার চেষ্ঠা করে আসছিলো স্থানীয় হাসেন আলী সরকারের পুত্র আক্তার হোসেন,কবির হোসেন,আলা উদ্দিনের পুত্র কামরুল ইসলাম মেম্বার, কাদির মাস্টারের পুত্র সোহেল মিয়া,মান্নান মাস্টার এর পুত্র আশরাফুল ইসলাম, আফতাব উদ্দিন মন্ডলের পুত্র রাজু মিয়া, খলিল আকন্দ এর পুত্র আব্দুর রাজ্জাক, নুরুল ইসলাম আকন্দ এর পুত্র হেলাল উদ্দীন, আব্দুল হামিদের পুত্র সাইদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলীর পুত্র ফয়জল, আলতাব আলীর পুত্র হযরত আলী, হাসেন আলী সরকারের পুত্র ছফির উদ্দিনসহ অজ্ঞাত আরো ২০-২৫ জনের একটি সিন্ডিকেট চক্র।
এব্যাপারে ইতিপুর্বে বিজ্ঞ আদালতে মামলা হলেও মামলার বিজ্ঞ বিচারক কাশেম পরিবারের পক্ষে রায় দিলে সিন্ডিকেট চক্র টি পরবর্তীতে জোরপূর্বক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে উক্ত সম্পদ জবর দখল করার চেষ্টা করে সম্পদ দখল নিতে নিরীহ কায়েস মাহমুদের বাড়িঘর কে অবৈধ স্থাপনা দাবি করে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা এতে ব্যর্থ হয়ে ঘটনার দিন আখতার হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্ঘবদ্ধ চক্রটি মৃত কাশেমের পুত্র কায়েস মাহমুদের পরিবারের উপর আক্রমণ চালায়। তাদের হামলায় মৃত আবুল কাশেমের ছেলে কায়েস মাহমুদ,মেয়ে পারভিন আক্তার ও স্ত্রী সালমা বেগম মারাত্মকভাবে আহত হলে আহতদর কে গুরুত্বর অবস্থায় স্থানীয় লাকজন প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরবর্তীতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন । আহতদের মধ্যে কায়েস মাহমুদ আশংকাজনক অবস্থায় রয়েছেন। তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলার বাদী বাবুল হোসেন জানান, অভিযুক্ত আসামিরা আমার শশুরের বসতবাড়ি জমি-জমা জোর জবর দখলে নিতে দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের উপর অত্যাচার ও বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বিষয়টি আমি শশুরের পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মহলে জানালেও আসামিরা স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয়ভাবে সুষ্ঠু কোন বিচার না পেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলা আমার শশুর পরিবারের পক্ষে বিজ্ঞ বিচারক রায় দেওয়ার পরেও আসামীরা স্থানীয় একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার শেল্টারে সেই সম্পত্তি জবর দখল নিতে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ঘটনার দিন আসামিরা আমার শশুর বাড়িতে ঢুকে আমার শশুরের পরিবারের সদস্যদের উপর অতকির্ত ভাবে হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমার সমন্ধি কায়েস মাহমুদ,শাশুড়ী সহ ৩জন গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের কে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে ডাক্তার তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বুঝে তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন । কায়েস মাহমুদ জানায়-আমার একমাত্র সহায় সম্পত্তি দখল করার উদ্দেশ্যে আসামীরা উক্ত হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে আক্তার ও অন্যান্য আসামীরা আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে।তিনি বলেন- আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ট বিচারের দাবী জানাচ্ছি।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে