আরিফ রববানী (ময়মনসিংহ)
ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ । দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে নিজের প্রচেষ্ঠায় দুইশত কোটি টাকারও অধিক উন্নয়ন কাজ করে আধুনিক মানে রূপান্তরিত করেছেন ত্রিশাল পৌরসভাকে। তৃতীয় মেয়াদে আবারো নির্বাচিত হয়ে পৌর এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড কে চলমান রেখে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড কে উন্নয়নের রুল মডেল হিসাবে গড়তে চান। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনেও মেয়র প্রার্থী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি । তাকে নির্বাচিত করা হলে তিনি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন । ত্রিশাল পৌরসভার প্রতিটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উন্নয়নযাত্রায় নাগরিক সুবিধায় এগিয়ে চলেছে ত্রিশাল পৌরসভা। এলাকাবাসী জানান, এক সময় ব্যাপক সমস্যা কবলিত পৌরসভা ছিলো ত্রিশাল। পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর মেয়র এসেছে, মেয়র গেছে, কিন্তু ক শ্রেণীর এই পৌরবাসীর ভাগ্যের তেমন উন্নয়ন হয়নি। নাগরিক সুবিধা আদায়ে নানা দাবি উঠে, ছোট খাটো উন্নয়ন কিছু হয়, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো মাটিচাপাই থাকে। এরই মধ্যে ত্রিশাল পৌরসভার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ত্রিশাল যুবলীগের সাবেক দুই বারের সভাপতি আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ। পৌরসভার নাগরিকদের সেবায় নিরবে-নিভৃতে শুরু করে নানা কর্মযঞ্চ। আধুনিক পৌরসভা গঠনে নিরলসভাবে কাজ করেন।
সেবার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে চলেছেন এই মেয়র। প্রথম ও দ্বিতীয় মেয়াদে অর্থাৎ ২বার মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নাগরিকদের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেন। নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শহরের প্রধান সড়কে এলইডি বাতি স্থাপন, রাস্তাঘাটের উন্নয়নসহ দুইশত কোটির টাকারও অধিক কাজ সম্পাদন করেন পৌর এলাকায় । মেয়র আনিছের নেতৃত্বে ত্রিশাল শহরের অলিগলির রাস্তা থেকে শুরু করে বড় বাজেটের অনেক রাস্তা সংস্কার ও নির্মাণ করেছেন। মানবিক কর্মকা-েও মেয়র আনিছুজ্জামান আনিছ বিপ্লব ঘটিয়ে যাচ্ছেন। বিবেকমান মানুষ হিসেবে পৌরবাসীর সেবা করছেন বলে স্থানীয়দের অভিমত। করোনা ভাইরাসে পৌরসভার বহু পরিবারের মাঝে উন্নতমানের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। সরকারি অর্থের সাথে নিজের অর্থও ব্যয় করে নাগরিকদের সেবা করছেন তিনি। দলমত সকল শ্রেণি পেশার মানুষই বলছেন, মেয়র আনিছুজ্জামানের আমলে ত্রিশাল এলাকার রাস্তা-ঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও সড়ক বাতিসহ ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তবে মেয়র আনিছুজ্জামান আনিছ বলেন, এখনও বেশকিছু কাজ বাস্তবায়নের বাকী রয়েছে । আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত হলে সেগুলি করা হবে । তন্মধ্যে, অবহেলিত বৃদ্ধদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তোলা হবে ।
সুতিয়া নদী সংষ্কারের মাধ্যমে চারপাশে পর্যটন ও উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র করার পরিকল্পনা রয়েছে । পৌর এলাকার খালগুলি সংস্কার করে। শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, শিশুদের খেলাধুলার সুবিধার্থে শিশুপার্ক, শেখ রাসেল পার্ক, ময়লা আবর্জনা অর্থাৎ গৃহস্থালির বর্জ্য থেকে গ্যাস উৎপাদন, আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মাণ, আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে তার । যদিও কিছু মানুষ তার উন্নয়ন কার্যক্রম দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেন বলে জানা গেছে । এবার মেয়র আনিছুজ্জামান আনিছ প্রার্থী হয়ে নতুন ও তরুণ ভোটরদের মন জয়েও উন্নয়ন ও আধুনিক শহর গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। যানজট ও জলাবদ্ধমুক্ত, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূল করে ত্রিশালকে মডেল পৌরসভা করাই তার লক্ষ্য বলে তিনি জানিয়েছেন তিনি। গত দুই মেয়াদে তার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করে নাগরিকদের সুন্দর জীবনযাপনের অঙ্গীকার করছেন। মেয়র আনিছুজ্জামান আনিছ বলেন, ত্রিশাল পৌরসভাকে আধুনিকভাবে গড়তে আগামীর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। সেই অনুযায়ী শহরে ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকী চলমান কাজ শেষ হলেই শহরের রাস্তা, ড্রেন সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নিয়ে পৌরবাসীকে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে