মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি,মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা)
সিলেটের সাবেক মেয়র ও আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব বাংলাদেশ বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব,সাজ্জাদুল হাসান।
গত ৫ জুন করোনা আক্রান্ত হয়ে বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন কামরান। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে গত ৬ জুন তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়। কামরান সাহেব যখন বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন কামরান ভাবী আমাকে টেলিফোনে কান্নাকাটি করে বললেন কামরান সাহেবকে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা দরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ৭ জুন সন্ধ্যায় তাকে বিমানবাহিনীর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়।
এরপর দিন ৮ জুন সিএমএইচে তাকে প্লাজমা থেরাপি দেয়া হয়। প্লাজমা থেরাপির পর কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠছিলেন তিনি। তবে তাকে সিএমএইচের আইসিইউতে রেখে অক্সিজেন সাপোর্টে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। রোববার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় এবং সোমবার ভোর রাত ৩টায় তিনি মারা যান বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর ।
যিনি সবার কাছে মেয়র কামরান হিসেবে পরিচিত তিনি আজ না ফেরার দেশে চলে গেলেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
চিকিৎসা ভালোই চলছিল। আজকে ভোর ছয়টায় ছেলে ডাক্তার শিপলু মেসেজ দিয়ে জানালো তার বাবা আর নেই।
মনটা এত খারাপ হলো বুঝাতে পারব না। সিলেটে আমি ডিসি এবং কমিশনার হিসেবে কাজ করেছি। সিলেটে নেতৃবৃন্দের সাথে আমার এ মধুর সম্পর্ক এখনও আছে। অনেক স্মৃতি ওনার সাথে। জেলা প্রশাসকের বাংলোতে আমার এক অনুষ্ঠানে সুন্দর গান গেয়েছিলেন। খুব সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। আল্লাহ উনাকে জান্নাত বাসী করুন। আল্লাহ যেন উনার পরিবারের সকলকে এই শোক সহ্য করার তৌফিক দান করুন।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে