Breaking News
Home / Uncategorized / স্বাস্থ বিভাগে চাকরীর সুবাদে অসহায় জীবন-যাপন থেকে কোটিপতি তিনি।।

স্বাস্থ বিভাগে চাকরীর সুবাদে অসহায় জীবন-যাপন থেকে কোটিপতি তিনি।।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন অফিসের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী জাকির হোসেন। একসময় যার এক বেলা খাবার পেলে আরেক বেলা খাবারের অনিশ্চিত ছিলো,একজন কৃষকের ছেলে,অনেক কষ্ট করে চলতে হয়েছে,অথচ বর্তমানে তার অঢেল সম্পদ,বিলাশ বহুল বাড়ী,স্ত্রীর চলা ফেরার জন্য বিলাশ বহুল গাড়ী,ছেলের জন্য দামী মটর সাইকেল, বাড়ীর কাছে বিলাশ বহুল মার্কেট, রয়েছে গরুর খামার,ফিসারীসহ অঢেল সম্পদ। তার এই সম্পদের উৎস নিয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশও হচ্ছে,অবশ্য একটি সংবাদপত্রের সম্পাদকের নামে তিনি বিভিন্ন স্থানে অভিযোগও দিয়েছেন পত্রিকার সম্পাদক চাঁদা চেয়ে না পেয়ে সংবাদপত্রে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেছেন,তবে সম্প্রতি জাকির হোসেন তার ফেইসবুক ওয়ালে লিখেছেন তা হুবুহ পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-”

আমার ব্যাপারে পএিকায় লেখালিখি করছেন আমি একজন সাধারণ কৃষকের ছেলে কথাটা সত্ত অনেক কষ্ট করে জীবন চলার পথে, এগিয়েছি পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি যারা আমার পিছনে লেগেছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই আমার পিছনে অযথা সময় নষ্ট না করে আপনারও চেষ্টা করুন চেষ্টা করুন জীবন বদলাতে পারবেন, আমি জানি পেটে খুদা থাকলে কত যে,,,,জালা আমি অতীত কে ভুলি নাই,জন্ম হউক যথাতথা কর্মহোক তার ভাল, সবার পতি দোয়া ও শুভকামনা রইল, আমি ও সবার কাছে দোয়া চাই,”

তার এমন স্ট্যাটাস বিভিন্ন মহলে আরো আলোচনা- সমালোচনার ঝড় উঠেছে,অনেকেই বলছেন জাকির সাহেব স্বাস্থ্য বিভাগে চাকরী নয় আলাদীনের চেরাগ পেয়েছেন,সেই চেরাগ তার জীব বদলিয়ে দিয়েছেন।অথচ এই দেশে কত সরকারী উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা,সরকারের মন্ত্রী, এমপিরাও একাধিক বার মন্ত্রী ও এমপি থাকা সত্ত্বেও জীবনের শেষ বিদায় বেলায় অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেনি,যারা জীবিত আছেন তারাও অনেকে অর্থের অভাবে পারিবারিক অশান্তি,অসুস্থতায় চিকিৎসার অভাবে ধুকে-ধুকে মরছেন, অথচ তিনি ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী হিসাবে স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত থেকে এমনকি পরিশ্রম করেছেন যে পরিশ্রমে অল্প কয়েক বছরের ব্যবধানে অঢেল সম্পদের মালিক হলেন? অথচ সাংবাদিক তার অতীত-বর্তমান সম্পদ নিয়ে পত্রিকায় লেখার কারণে তার নামে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আবার তিনি নিজের অতীত নিজেই ফেইসবুকে লেখে পোস্ট করলেন,তার এমন স্ট্যাটাসে অনেকেই তার কাছে জানতে চেয়েছেন তিনি কিভাবে এই ছোট্র একটি পদে চাকরী করে অল্প দিনে এত সম্পদের মালিক হলেন,সিভিল সার্জন অফিসের একজন সামান্য কর্মচারী হিসাবে তিনি কি পরিশ্রম করেন- কিভাবে করেন তাও তার ফেইসবুকে লেখার অনুরোধ জানিয়েছেন সচেতন মহলের অনেকে।

সূত্র বলছে, গত ২৫ মে ১৯৯১ সালে সিকিউরিটি গার্ড হিসাবে নিয়োগ পান তিনি। এরপর ২৪ আগষ্ট ১৯৯৭ সালে বিভাগীয় মনোয়ন বোর্ড তাকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মূদ্রাক্ষরিক পদে পদোন্নতি দেন। সূত্র নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন অফিসের হিসাব রক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন।
পদান্নোতি পেয়েই ‘আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ’ বনে গেছেন। আবার এলাকার লোকজনের নিকট তিনি নিজেকে সিভিল সার্জন হিসাবেও পরিচয় দেন বলে তথ্য রয়েছে, তাকে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা হিসাবে চিনেন স্থানীয়রা। বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে এর আগে তিনি খুদা জালায় ভূগছেন তবে অল্পদিনের ব্যবধানে বর্তমান সম্পদের উৎসটা কি? এনিয়ে জোড়ালো তদন্তের দাবী উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

তৃতীয় শ্রেণির চাকরি করে কোটিপতি বনে যাওয়ার ম্যাজিক দেখিয়ে তিনি এখন নিজ এলাকা নগরীর শম্ভুগঞ্জ চর ইশ্বরদিয়ার সাধারণ মানুষের আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছেন। ফেইসবুক ওয়ালে লেখা পোস্টে সাধারন মানুষের মাঝে আরো বেশী আলোচনার ঝড় তুলেছেন তিনি। তার অদৃশ্য খুঁটির জোরেই তিনি ‘আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন এটাও এখন বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন চলছে।

About Mizanur Rahman

Check Also

দালাল মুক্ত ভূমি অফিস করতে কাজ করছেন ভূমি কর্মকর্তা লুৎফর রহমান

স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিস দালাল মুক্ত বললেন ভূমি কর্মকর্তা। সম্প্রতি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!