ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহে এডভোকেট পিতার রেখে যাওয়া সম্পদের বিধি মোতাবেক অংশীদারিত্ব পাওয়ার দাবী নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ও বিভিন্ন মহলের দ্বারে -দ্বারে ঘুরলেও সুষ্ঠু কোন বিচার পাচ্ছে না কলেজ শিক্ষিকা মেয়ে। পিতার রেখে যাওয়া দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজনের প্রভাবের কারণে পৈত্রিক সম্পদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে। সমালোচনা চলছে আইনজীবীরা জীবিত থাকতে যেমন বিচারপ্রার্থীদের আইনের প্যাচে দৌড়ান,তেমনি মৃত্যুর পরেও নিজের স্ত্রী-সন্তানদের উপর প্যাচ রেখে যান,সম্ভবত মরহুম সেই এডভোকেট তাদেরই একজন ছিলেন হয়তোবা,তা না নিজের মৃত্যুর পর নিজের স্ত্রী-সন্তানরাই মানুষের দ্বারে-দ্বারে ঘুরবে কেন? আবার সব উকিলরা সমান নয় এমনটাও আলোচনা রয়েছে মানুষের মাঝে।
সুত্র মোতাবেক জানা গেছে- ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতির অন্তর্ভুক্ত আইনজীবী ছিলেন ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালী ইউনিয়নের চুরখাই বড়বিলার পাড় গ্রাম এলাকার মরহুম এডভোকেট মোহাম্মদ আলী।যিনি গত ২৩শে সেপ্টেম্বর সকালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই স্ত্রী ও দুই মেয়ে রেখে যান। প্রথম স্ত্রীর নাম সুফিয়া আক্তার ও মেয়ের নাম ফারজানা নাসরিন,দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম আসমাউল হুসনা (শেফালী) ও মেয়ের নাম রিমা সোহেলী চৌধুরী এবং রানা নামের এক ছেলে ছিলো তবে বর্তমানে রানা মৃত। প্রথম স্ত্রী সুফিয়ার মেয়ে ফারজানা নাসরিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা শেষ করে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ময়মনসিংহে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করে বর্তমানে ময়মনসিংহের মমেনশাহি মহিলা মানবিক কলেজ এর অধ্যাপক হিসাবে নিয়োজিত রয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহ শহরের আর কে মিশন রোডস্থ এলাকায় বসবাস করেন।
এদিকে এডভোকেট মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি দুই স্ত্রীর ও দুই মেয়ে ওয়ারিশানের ভাগ বন্ঠনের আলাপ-আলোচনা হলে দ্বিতীয় স্ত্রী হুসনা পৈতৃক সুত্রে প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের প্রভাবে প্রথম স্ত্রী সুফিয়া ও তার মেয়ে ফারজানা নাসরিনকে ওয়ারিশ থেকে বঞ্চিত করার পায়তারা লুটছে। প্রথম স্ত্রীর মেয়ে অধ্যাপক ফারজানা নাসরিন অভিযোগ করেন- তার সৎ মা প্রভাবশালী ফ্যামিলির মেয়ে হওয়ায় তিনি তার মৃত পিতার রেখে যাওয়া সম্পদের ওয়ারিশের দাবি তুললে সৎ মায়ের প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজনরা তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে থাকে। তাদের হুমকির কারণে সে তার পিতার রেখে যাওয়া সম্পদের অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বাবার সম্পদের দাবি নিয়ে নিজ জন্মস্থান ভাবখালি ইউনিয়নের বড়বিলায় গেলে সৎ মায়ের ভাড়াটে সন্ত্রাসী ও প্রভাবশালী আত্মীয় স্বজনরা তাকে সম্পদ দাবী করলে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে থাকে। যার ফলে সে এলাকায় যেতে পারেনা। তিনি পিতার সম্পদের অংশীদারত্বের দাবী তুলে প্রশাসন ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সার্বিক সহযোগিতার আশায় তাদের দ্বারে-দ্বারে ঘুরছেন।
www.dailyamaderbani.com দেশ ও জনগণের কথা বলে